April 19, 2026, 3:17 pm

নবজাতক চুরির ঘটনায় নার্স আটক

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ-ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় ক্লিনিক থেকে সিজারের তিনঘন্টা পর নবজাতক চুরির ঘটনায় সাথী আক্তার তমা নামে এক নার্সকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার রাত ৯ টার দিকে শহরের সেবা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনোস্টিক সেন্টার থেকে আটক করা হয়। আটক তমা কালীগঞ্জ উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের রাজেন বিশ্বাসের মেয়ে। মামলার তদন্তকালী কর্মকর্তা এসএই আবুল কাশেম জানান, বুধবার ঝিনাইদহ আদালতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া বিনতে জাহিদের কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় নবজাতক চুরির ঘটনা মামলার প্রদান আসামি প্রিয়া খাতুন ওরফে মিনারা খাতুন। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক বুধবার রাতে সাথী আক্তার তমাকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ মুহা: মাহফুজুর রহমান মিয়া জানান, নবজাতক চুরির প্রধান আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক নার্স তমাকে আটক করা হয়েছে। নবজাতক চুরির ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের সেবা ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের ২০৩ নম্বর কেবিন থেকে সিজারের তিন ঘন্টা পর এক মেয়ে নবজাতক চুরির ঘটনা ঘটে। প্রায় ১৬ ঘন্টা পর মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের নিশ্চিন্তপুর এলাকা থেকে নবজাতকটিকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নবজাতকের বাবা মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেছেন।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা